
Blog
-
কুড়িগ্রামে বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন, ভোট চলছে উৎসবমুখর পরিবেশে
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রাম জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে কুড়িগ্রাম আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১৯টি পদে ৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেলার ৯টি উপজেলার শ্রমিকদের নিয়ে ৪০টি বুথে মোট ৪ হাজার ৫১৮ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নির্বাচন কমিশনার ডা. মাহফুজার রহমান মজনু জানান, সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। শ্রমিকদের মধ্যে নির্বাচনকে ঘিরে ঈদের আনন্দের মতো উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার মানুষও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে উপস্থিত রয়েছেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের সহ-সম্পাদক ছামসুজ্জামান ছামসু, প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন পিন্টু, কুড়িগ্রাম মোটর মালিক সমিতির সভাপতি লুৎফর রহমান বকশীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী।
প্রার্থীরা আশা প্রকাশ করেছেন, দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।

-

ব্রহ্মপুত্রের স্রোতে নিখোঁজ বৃদ্ধ, ডুবুরি দলের অপেক্ষা
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের কোলা সাঁতরে চরে পাট কাটতে যাওয়ার সময় লিয়াকত মণ্ডল (৮০) নামে এক বৃদ্ধ পানির স্রোতে নিখোঁজ হয়েছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের হাটিথানা পুটিমারী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ লিয়াকত মণ্ডল ওই এলাকার পুটিমারী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে একটি হাঁড়ি সঙ্গে নিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের কোলা সাঁতরে চরে পাট কাটতে যাচ্ছিলেন লিয়াকত মণ্ডল। নদীর মাঝপথে প্রবল স্রোতের কারণে হাঁড়িতে পানি ঢুকে সেটি ডুবে যায়। এ সময় তিনি হাঁড়িসহ পানিতে তলিয়ে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজের নাতি লিয়ন মণ্ডল বলেন, খবর পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জাল দিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছেন। পরে চিলমারী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ডুবুরি দল পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন।
চিলমারী ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার তন্ময় কুমার বর্মণ বলেন, “রংপুর থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। তারা পৌঁছানোর পর নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে অভিযান শুরু হবে।”
চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, “ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।” -

মহিলা কারাগার থেকে কয়েদি পলায়ন: ৭ কর্মকর্তা বরখাস্ত
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে রিম্পা (২১) নামে এক সাজাপ্রাপ্ত বন্দি দেয়াল টপকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বড় ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুইজন মেট্রন ও পাঁচজন নারী কারারক্ষীসহ মোট সাতজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ জানান, প্রাথমিক তদন্তে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় সাতজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি ও মেরিনা; এবং নারী কারারক্ষী রেহেনা, শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।
কারা সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কারাগারের অভ্যন্তরে প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল।
ওই সময় পাহারায় থাকা কারারক্ষীদের তদারকিতে ঘাটতি দেখা দিলে সেই সুযোগ কাজে লাগান রিম্পা। তিনি চতুরতার সঙ্গে কারাগারের অফিস ভবনের পাশের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর পরই পুরো কারাগারে চিরুনি তল্লাশি চালায় কারা কর্তৃপক্ষ। তবে তার কোনো সন্ধান না মেলায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়।
ফুটেজেই রিম্পার সীমানা প্রাচীর পার হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে কোনাবাড়ী মডেল থানায় কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার মো. হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া একটি মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।
কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য থেকে একজন বন্দি এভাবে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে দিয়ে কায়িক শ্রম করানো এবং সেই সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করাকে গুরুতর গাফিলতি হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
বর্তমানে পলাতক রিম্পাকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তৎপর রয়েছে।
-

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন থেকে চিলমারী ইউনিয়ন রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন
ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙন থেকে কুড়িগ্রামের চিলমারী ইউনিয়নকে স্থায়ীভাবে রক্ষার দাবিতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত কার্যকর নদীশাসন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং চরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে পৃথক চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টায় চিলমারী ইউনিয়নের কড়াইবরিশাল খেয়াঘাটসংলগ্ন নদীভাঙন এলাকায় জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সহস্রাধিক নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু। বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিলমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল বারী সরকার, জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যক্ষ খাজা শরীফ উদ্দিন আহমেদ রিন্টু, চিলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আবু হানিফা, সদস্যসচিব সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাব কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী ঝিনুক, চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম কাজী, মহিলা নেত্রী শাহনাজ সুলতানা এবং নদীভাঙনের শিকার আছির উদ্দিন ও শাহজাহান আলী।
বক্তারা বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙনে প্রতিবছর চিলমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বসতভিটা, ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন স্থাপনা হারিয়ে হাজারো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী নদীশাসনের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে ভাঙন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।
সমাবেশে জানানো হয়, গত তিন বছরে চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাতী, মনতোলা, চড়ুয়াপাড়া, তেলিপাড়া, বিশারপাড়া ও কড়াইবরিশাল গ্রামের অন্তত ১ হাজার ৫৫০টি পরিবারের বসতভিটা ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে বহু পরিবার একাধিকবার বসতি স্থানান্তর করতে বাধ্য হয়েছে। অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে কিংবা অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর অন্তত ৪২টি স্থানে বর্তমানে নদীভাঙন চলছে। গত ১০ বছরে প্রায় দুই লাখ মানুষ তাঁদের বসতভিটা হারিয়ে নতুন ঠিকানায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঠিক পরিসংখ্যান কোনো সরকারি দপ্তরের কাছে নেই।
তিনি বলেন, নদীভাঙনের শিকার মানুষ শুধু জমি বা ঘরবাড়িই হারান না; হারিয়ে ফেলেন তাঁদের শৈশব, স্মৃতি, সামাজিক বন্ধন ও জীবিকার ভিত্তিও। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা থাকলেও বাংলাদেশে এখনো তেমন কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।
অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু আরও বলেন, দেশের ৩২টি জেলার প্রায় ১০০টি উপজেলার দুই কোটিরও বেশি মানুষ নদীভাঙন ও চরাঞ্চলের নানা সংকটের মধ্যে বসবাস করছেন। তাই পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আদলে একটি পৃথক চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন সময়ের দাবি।
সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে চিলমারী ইউনিয়ন রক্ষায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, দীর্ঘমেয়াদি নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং চরাঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। বক্তাদের ভাষ্য, চরের মানুষের নিরাপত্তা ও জীবনমান নিশ্চিত না হলে দেশের টেকসই উন্নয়নও পূর্ণতা পাবে না। -

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন থেকে চিলমারী ইউনিয়ন রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন
ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙন থেকে কুড়িগ্রামের চিলমারী ইউনিয়নকে স্থায়ীভাবে রক্ষার দাবিতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত কার্যকর নদীশাসন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং চরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে পৃথক চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টায় চিলমারী ইউনিয়নের কড়াইবরিশাল খেয়াঘাটসংলগ্ন নদীভাঙন এলাকায় জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সহস্রাধিক নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু। বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিলমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল বারী সরকার, জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যক্ষ খাজা শরীফ উদ্দিন আহমেদ রিন্টু, চিলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আবু হানিফা, সদস্যসচিব সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাব কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী ঝিনুক, চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম কাজী, মহিলা নেত্রী শাহনাজ সুলতানা এবং নদীভাঙনের শিকার আছির উদ্দিন ও শাহজাহান আলী।
বক্তারা বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙনে প্রতিবছর চিলমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বসতভিটা, ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন স্থাপনা হারিয়ে হাজারো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী নদীশাসনের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে ভাঙন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।
সমাবেশে জানানো হয়, গত তিন বছরে চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাতী, মনতোলা, চড়ুয়াপাড়া, তেলিপাড়া, বিশারপাড়া ও কড়াইবরিশাল গ্রামের অন্তত ১ হাজার ৫৫০টি পরিবারের বসতভিটা ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে বহু পরিবার একাধিকবার বসতি স্থানান্তর করতে বাধ্য হয়েছে। অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে কিংবা অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর অন্তত ৪২টি স্থানে বর্তমানে নদীভাঙন চলছে। গত ১০ বছরে প্রায় দুই লাখ মানুষ তাঁদের বসতভিটা হারিয়ে নতুন ঠিকানায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঠিক পরিসংখ্যান কোনো সরকারি দপ্তরের কাছে নেই।
তিনি বলেন, নদীভাঙনের শিকার মানুষ শুধু জমি বা ঘরবাড়িই হারান না; হারিয়ে ফেলেন তাঁদের শৈশব, স্মৃতি, সামাজিক বন্ধন ও জীবিকার ভিত্তিও। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা থাকলেও বাংলাদেশে এখনো তেমন কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।
অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু আরও বলেন, দেশের ৩২টি জেলার প্রায় ১০০টি উপজেলার দুই কোটিরও বেশি মানুষ নদীভাঙন ও চরাঞ্চলের নানা সংকটের মধ্যে বসবাস করছেন। তাই পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আদলে একটি পৃথক চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন সময়ের দাবি।
সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে চিলমারী ইউনিয়ন রক্ষায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, দীর্ঘমেয়াদি নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং চরাঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। বক্তাদের ভাষ্য, চরের মানুষের নিরাপত্তা ও জীবনমান নিশ্চিত না হলে দেশের টেকসই উন্নয়নও পূর্ণতা পাবে না। -

ফাইনালে গুরু-শিষ্যের মহারণে যোগ হচ্ছে নতুন গল্প
বিশ্বকাপ ফাইনাল মানেই উত্তেজনা, ইতিহাস আর শিরোপার লড়াই। তবে এবার আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার মহারণে যোগ হয়েছে ভিন্ন এক গল্পও।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আগামী রবিবার মুখোমুখি হবেন দুই কোচ- আর্জেন্টিনার লিওনেল স্কালোনি ও স্পেনের লুইস দে লা ফুয়েন্তে। যাদের সম্পর্ক কেবল প্রতিদ্বন্দ্বীর নয়, বরং গুরু ও শিষ্যের।
আজ থেকে প্রায় নয় বছর আগে কোচিং জগতে নিজের পথচলা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন স্কালোনি। ২০১৭ সালে স্পেনের ফুটবল ফেডারেশনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পেশাদার কোচিং লাইসেন্স কোর্সে অংশ নেন তিনি। সেই কোর্সে তাঁর অন্যতম শিক্ষক ছিলেন বর্তমান স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
সেই সময়ের ছাত্র ও শিক্ষক এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে একে অপরের প্রতিপক্ষ।
আর তাই এবারের ফাইনালকে অনেকেই দেখছেন ‘গুরু বনাম শিষ্য’ লড়াই হিসেবে।
স্কালোনির কোচিং যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে, যখন তিনি অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে আর্জেন্টিনা দলের হাল ধরেন। এরপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দলটিকে নিয়ে যান সাফল্যের শিখরে।
২০২১ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে আর্জেন্টিনার দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটান তিনি।
এরপর ২০২২ সালে বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে আরও একটি কোপা আমেরিকা জিতে নিজেকে সময়ের অন্যতম সফল কোচ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
অন্যদিকে দে লা ফুয়েন্তেও স্প্যানিশ ফুটবলের পুনর্জাগরণের কারিগর।২০২২ বিশ্বকাপে হতাশাজনক বিদায়ের পর জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে তিনি নতুন প্রাণ ফিরিয়ে দেন স্পেনে। তাঁর নেতৃত্বে স্পেন ইউরোপের শিরোপা জিতেছে, নেশনস লিগের ফাইনাল খেলেছে এবং এবার পৌঁছে গেছে বিশ্বকাপের ফাইনালে।
ফাইনালের আগে একে অপরের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার কথাও জানিয়েছেন দুই কোচ।
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর স্কালোনি বলেন, “তিনি আমার পরামর্শদাতা ছিলেন। কোচিং সম্পর্কে আমি যা শিখেছি, তার অনেক কিছুই তাঁর কাছ থেকে। এখন বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর বিপক্ষে দাঁড়ানো আমার জন্য বিশেষ অনুভূতি। তিনি স্পেনকে অসাধারণভাবে গড়ে তুলেছেন। ”
স্পেনে দীর্ঘদিন বসবাস করা স্কালোনির সঙ্গে দেশটির সম্পর্কও গভীর। তাঁর পরিবার স্পেনে থাকে, স্ত্রীও স্প্যানিশ। তবে ফাইনালে আবেগের জায়গা নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
স্কালোনির ভাষায়, “আমি স্পেনে থাকি, আমার পরিবারও স্প্যানিশ। কিন্তু মাঠে আমি আর্জেন্টিনার কোচ। তাই অবশ্যই আমি তাঁকে হারানোর চেষ্টা করব। তবে তাঁর প্রতি আমার সম্মান কখনো কমবে না। ”
এদিকে নিজের সাবেক ছাত্রকে নিয়ে গর্বিত দে লা ফুয়েন্তেও। তিনি বলেন, “স্কালোনি সব সময় শেখার জন্য আগ্রহী ছিল। পরিশ্রমী এবং ইতিবাচক মানসিকতার একজন মানুষ। সে আর্জেন্টিনার সঙ্গে সবকিছু জিতেছে।
তার সাফল্যে আমি আনন্দিত। শিক্ষক হিসেবে নয়, একজন বন্ধু হিসেবেও আমি তাকে ভীষণ শ্রদ্ধা করি। ”
ফলে এবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল শুধু দুই ফুটবল পরাশক্তির লড়াই নয়, এটি দুই প্রজন্মের দুই সফল কোচের আবেগঘন পুনর্মিলনও।
তবে মাঠে নামার পর বন্ধুত্ব কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক সবই চলে যাবে আড়ালে। তখন লক্ষ্য থাকবে একটাই- বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরা।
-

ফাইনালে গুরু-শিষ্যের মহারণে যোগ হচ্ছে নতুন গল্প
বিশ্বকাপ ফাইনাল মানেই উত্তেজনা, ইতিহাস আর শিরোপার লড়াই। তবে এবার আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার মহারণে যোগ হয়েছে ভিন্ন এক গল্পও।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আগামী রবিবার মুখোমুখি হবেন দুই কোচ- আর্জেন্টিনার লিওনেল স্কালোনি ও স্পেনের লুইস দে লা ফুয়েন্তে। যাদের সম্পর্ক কেবল প্রতিদ্বন্দ্বীর নয়, বরং গুরু ও শিষ্যের।
আজ থেকে প্রায় নয় বছর আগে কোচিং জগতে নিজের পথচলা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন স্কালোনি। ২০১৭ সালে স্পেনের ফুটবল ফেডারেশনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পেশাদার কোচিং লাইসেন্স কোর্সে অংশ নেন তিনি। সেই কোর্সে তাঁর অন্যতম শিক্ষক ছিলেন বর্তমান স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
সেই সময়ের ছাত্র ও শিক্ষক এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে একে অপরের প্রতিপক্ষ।
আর তাই এবারের ফাইনালকে অনেকেই দেখছেন ‘গুরু বনাম শিষ্য’ লড়াই হিসেবে।
স্কালোনির কোচিং যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে, যখন তিনি অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে আর্জেন্টিনা দলের হাল ধরেন। এরপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দলটিকে নিয়ে যান সাফল্যের শিখরে।
২০২১ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে আর্জেন্টিনার দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটান তিনি।
এরপর ২০২২ সালে বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে আরও একটি কোপা আমেরিকা জিতে নিজেকে সময়ের অন্যতম সফল কোচ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
অন্যদিকে দে লা ফুয়েন্তেও স্প্যানিশ ফুটবলের পুনর্জাগরণের কারিগর।২০২২ বিশ্বকাপে হতাশাজনক বিদায়ের পর জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে তিনি নতুন প্রাণ ফিরিয়ে দেন স্পেনে। তাঁর নেতৃত্বে স্পেন ইউরোপের শিরোপা জিতেছে, নেশনস লিগের ফাইনাল খেলেছে এবং এবার পৌঁছে গেছে বিশ্বকাপের ফাইনালে।
ফাইনালের আগে একে অপরের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার কথাও জানিয়েছেন দুই কোচ।
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর স্কালোনি বলেন, “তিনি আমার পরামর্শদাতা ছিলেন। কোচিং সম্পর্কে আমি যা শিখেছি, তার অনেক কিছুই তাঁর কাছ থেকে। এখন বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর বিপক্ষে দাঁড়ানো আমার জন্য বিশেষ অনুভূতি। তিনি স্পেনকে অসাধারণভাবে গড়ে তুলেছেন। ”
স্পেনে দীর্ঘদিন বসবাস করা স্কালোনির সঙ্গে দেশটির সম্পর্কও গভীর। তাঁর পরিবার স্পেনে থাকে, স্ত্রীও স্প্যানিশ। তবে ফাইনালে আবেগের জায়গা নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
স্কালোনির ভাষায়, “আমি স্পেনে থাকি, আমার পরিবারও স্প্যানিশ। কিন্তু মাঠে আমি আর্জেন্টিনার কোচ। তাই অবশ্যই আমি তাঁকে হারানোর চেষ্টা করব। তবে তাঁর প্রতি আমার সম্মান কখনো কমবে না। ”
এদিকে নিজের সাবেক ছাত্রকে নিয়ে গর্বিত দে লা ফুয়েন্তেও। তিনি বলেন, “স্কালোনি সব সময় শেখার জন্য আগ্রহী ছিল। পরিশ্রমী এবং ইতিবাচক মানসিকতার একজন মানুষ। সে আর্জেন্টিনার সঙ্গে সবকিছু জিতেছে।
তার সাফল্যে আমি আনন্দিত। শিক্ষক হিসেবে নয়, একজন বন্ধু হিসেবেও আমি তাকে ভীষণ শ্রদ্ধা করি। ”
ফলে এবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল শুধু দুই ফুটবল পরাশক্তির লড়াই নয়, এটি দুই প্রজন্মের দুই সফল কোচের আবেগঘন পুনর্মিলনও।
তবে মাঠে নামার পর বন্ধুত্ব কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক সবই চলে যাবে আড়ালে। তখন লক্ষ্য থাকবে একটাই- বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরা।
-

রুয়েটে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং অপ্টিমাইজেশন ও এআই’ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রকৌশল দক্ষতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম করে তুলতে “Optimization: From GPA Prediction to AI-Powered Engineering Decision Making” শীর্ষক দিনব্যাপী একটি নিবিড় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগে কর্মশালাটি শুরু হয়ে দিনব্যাপী পাঁচটি সেশনের মাধ্যমে শেষ হয়।
কর্মশালার মূল প্রশিক্ষক ও বক্তা ছিলেন রুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আনান আশরাবি অনন্য। তিনি বর্তমানে সুইডেনের লিংকোপিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অপ্টিমাইজেশন বিষয়ে পিএইচডি গবেষক এবং সুইডেনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Norminds-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অপ্টিমাইজেশন বিষয়ক পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।
আয়োজক বিভাগের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহাদী হাসান মাসুদ, অধ্যাপক মো. ওয়াহেদুল ইসলাম, প্রভাষক মো. তানজীব হোসেন আকাশ, প্রভাষক মো. রাসেল আহমেদ, প্রভাষক মোহাম্মাদ রায়হানসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ৫০ জন শিক্ষার্থী কর্মশালায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। পাঁচটি সেশনে বাস্তব প্রকৌশল সমস্যা সমাধানে ডেটা অ্যানালিটিক্স, প্রেডিকশন মডেল, অপ্টিমাইজেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে তাত্ত্বিক আলোচনা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রথম সেশনে ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিসিশন মেকিং বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এতে তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রেডিক্টিভ মডেলিংয়ের মৌলিক ধারণা তুলে ধরা হয়। দ্বিতীয় সেশনে বাস্তব প্রকৌশল সমস্যার উদাহরণের মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারিং অপ্টিমাইজেশনের ভিত্তিমূলক বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হয়।
মধ্যাহ্ন বিরতির আগে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সেশনে মেশিন লার্নিং ও রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং প্রযুক্তির প্রকৌশল খাতে ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রদর্শন করা হয়।
বিকেলের চতুর্থ সেশনে অপ্টিমাইজেশন বুটক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা পাইথন ল্যাব এবং একটি মিনি হ্যাকাথনের মাধ্যমে বাস্তবমুখী অপ্টিমাইজেশন সমস্যার সমাধানে হাতে-কলমে কাজ করেন।
সমাপনী সেশনে “Engineering Careers in the Age of AI” শীর্ষক আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রকৌশলীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা, উচ্চশিক্ষার সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্যারিয়ার গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের প্র্যাক্টিক্যাল কর্মশালা ও মিনি হ্যাকাথন তাদের ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং এবং আধুনিক প্রকৌশল প্রযুক্তির সমন্বিত ব্যবহার সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দিয়েছে। বিশেষ করে পাইথন ল্যাব ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন সেশন ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন।
শিক্ষার্থীদের মতামত ও ফিডব্যাক গ্রহণ, অংশগ্রহণ সনদ বিতরণ এবং সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ কর্মশালার সফল সমাপ্তি ঘটে।