কাউনিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বে-ওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। একসাথে ৫-৭ টি কুকুর দলবেঁধে পথচারীদের উপর আক্রমন চালাচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল গামী শিশুরা কুকুরের আক্রমণের শিকার হচ্ছে বেশি। উপজেলার বেশ কয়েক টি এলাকায় একদিনে কুকুরের কামড়ে শিশু মহিলা সহ ১৫ জন আহত হয়েছে।
আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নেয়া হয়েছে। আহতদের পরিবার সূত্রে জানাগেছে বুধবার দিনব্যাপী উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের ভায়ারহাট সদরাতালুক গ্রামের শিশু সোহানা(৪) তালুক শাহবাজ গ্রামের হাবিব (৭) আব্দুল হামজা(২)হোসনা(২৩)রুবিনা(৩)মিশু(৪)মাহাদি(৪) বালাপাড়া ইউনিয়নের হরিশ্বর গ্রামের রেজাউল করিম (১৫) সামিহা(৩) বাশিরন(৪০) নাসরিন (৮) সহ ১৫ জন কে কুকুর কামড় দিয়ে গুরুত্বর আহত করেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কুকুর কামড়ানো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকায় সাধারণ দরিদ্র মানুষেরা বিপাকে পড়েছে। তবে সামর্থ্যবান মানুষ জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন ঔষধের দোকান ক্রয় করে শরীরে পুস করছে।
বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনছার বলেন পরিষদের সভায় সিন্ধান্ত নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সহায়তায় বে-ওয়ারিশ কুকুরে বিষয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মেডিকেল অফিসার ডাঃ সাব্বির আহমেদ জানান কুকুর কামড়ানো ভ্যাকসিন সংকট থাকায় রংপুর সদর হাসপাতাল অথবা রংপুর সিটি কর্পোরেশন থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এ ধরনের রোগীকে ৫ টা করে ভ্যাকসিন দেয়া লাগবে তিনি আরোও জানান এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিদুল হক বলেন হাইকোর্টের নির্দেশ কুকুর মারা যাবেনা। চেয়ারম্যানদের বলা হয়েছে এলাকা বাসীর সহায়তায় কুকুর গুলোকে ধরার জন্য। কুকুর থেকে সবাই কে সর্তক থাকতে হবে।
