আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছে জাতীয় পার্টি। তফসিল ঘোষণার পর জাতীয় পার্টির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এমনটাই জানা গেছে। জাপা নেতারা বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা একটি সাংবিধানিক ব্যাপার। এখানে সময়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনারকে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এর সঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশের কোন সম্পর্ক নেই।
বুধবার সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, নির্বাচন কমিশনারকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করতেই হবে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই নির্বাচন কমিশনার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছেন।
মজিবুল হক চুন্নু আরও বলেন, আমরা এখনো মনে করি দেশের সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি এবং সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন জনগণের প্রত্যাশা।
এর আগে, একইদিন সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারির ৭ তারিখে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করা হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে। আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান সিইসি। এছাড়া সংবিধান ও আইনের আলোকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন। এর আগে, বিকেল ৫টায় বর্তমান কমিশনের ২৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় তফসিল চূড়ান্ত করা হয়।
সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে ইসির সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান, রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান এবং ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম উপস্থিত ছিলেন।
