রৌমারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল ভোর রাতে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশী সীমান্তে অবৈধ ভাবে প্রবেশ করে বড়াইবাড়ী গ্রামের ঘুমন্ত মানুষের উপর হামলা চালায় ও বাড়ি-ঘর নির্বিচারে জ্বালিয়ে দেয়। ওই দিন হামলার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়েছিল বিডিআর-জনতা। আর সেই প্রতিরোধে বিএসএফ এর ১৬ জনের লাশ ফেলে পালিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীরা। শহিদ হয়েছিল ৩৩ রাইফেলস্ ব্যাটালিয়নের ল্যান্স নায়েক ওয়াহিদুজ্জামান, সিপাহী মাহফুজার রহমান এবং ২৬ রাইফেলস্ ব্যাটালিয়নের সিপাহী আঃ কাদের। এছাড়াও আহত হয় বিডিআর এর হাবিলদার আব্দুল গনি, নায়েক নজরুল ইসলাম, ন্যান্স নায়েক আবু বকর সিদ্দিক, সিপাহি হাবিবুর রহমান ও সিপাহি জাহিদুর নবী । বিএসএফ এর তান্ডবে পুড়ে ছাই হয়েছিল বড়াইবাড়ী গ্রামের ৮৯ টি বাড়ি। সরকারি হিসেবে মোট ক্ষতির পরিমান ছিল ৭২ লক্ষ টাকা। এ সীমান্ত এলাকার মানুষের এখনো কাটেনি সীমান্তের আতঙ্ক। শহিদের শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন রৌমারী উপজেলা চেয়ারম্যান ইমান আলী ইমন,২৮কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক এমপি রুহুল আমিন, রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হুরায়রা, রৌমারী সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু,কে এম ফজলুল হক মন্ডল সাবেক চেয়ারম্যান শৌলমারী ও দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন, ভাইস চেয়ারম্যান মোজাফফর হোসেন,মোজাফফর হোসেন,প্রধান শিক্ষক বিবিসি উচ্চ বিদ্যালয়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার স্মৃতি সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ৷
উত্তরের আলো
আজ ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস
