উত্তরের আলো

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী ধানের বীজতলা কাউনিয়ায় মানস নদীতে সবুজের সমারোহ

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী ধানের বীজতলা কাউনিয়ায় মানস নদীতে সবুজের সমারোহ

জহির রায়হান কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধিঃ- রংপুরের কাউনিয়ায় উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা আকা বাঁকা মানাস নদীতে চলতি মৌসুমে সবুজের সমারোহ। যতদুর চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজের গালিচা।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখাগেছে কুয়াশার রোদে মানাস নদীর পাশ দিয়ে হেটে গেলে সবুজ গালিচা দেখে চোখ জুরিয়ে যায়। স্থানীয় কৃষকরা তাদের আপন মহিমায় মনের মাধুরি মিশিয়ে ইরি বোরো ধান চাষ করার জন্য বলা চলা মানাস নদী জুরেই ধানের বীজতলা তৈরী করেছে। প্রতিবছর চারা বীজ সংকট দেখাদেয়, সেই সংকট মোকাবেলায় কৃষকরা এবার মানাস নদীতে পানি না থাকায় চাহিদার চেয়ে বেশী বীজতলা তৈরী করেছে। কৃষকরা আশা করছেন প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না আসলে চলতি মৌসুমে ধানের চারার কোন সংকট হবে না। টেপামধুপুর লালমসজিদ এলাকার কৃষক মোঃ আমিন জানান, মানস নদীতে এবার খুব সহজেই বীজতলা তৈরী করা গেছে। কৃষক শফিকুল জানান, নদীতে পানি কম থাকায় এবং কাদা থাকায় তেমন কোন খরচ ছারাই বীজতলা তৈরী করা গেছে। বর্তমানে চারাবীজের অবস্থাও ভাল আছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহানাজ পারভীন জানান, চলতি মৌসুমে বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির বিপরিতে বীজতলা তৈরী লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৯০ হেক্টর, অর্জন হয়েছে ৫১০ হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে মানাস নদীতে চাষিরা বেশী বীজতলা করেছে। এছারাও কৃষি বিভাগ থেকে সরকারী প্রনোদনা হিসেবে হাইব্রীড ধানের বীজ ২কেজি করে ২৭০০ চাষি, এবং উপশি ধানের বীজ ৫ কেজি করে ২৭০০ চাষিকে দেয়া হয়েছে। বীজতলা তৈরীতে কৃষদের সবধরনের পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। অতিরিক্ত কুয়াশায় বীজতলা যেন নষ্ট না হয় সেজন্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে বলা হচ্ছে চাষিদের। আশা করছি মাঠে যে পরিমান চারা বীজ আছে তাতে চারার সংকট হবে না।

শেয়ার: