আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম: ১৮ জুন ২০২৬ , ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টার ঘটনায় পাঁচ দিন পর একই পরিবারের চার সদস্যকে উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এখনো শূন্যরেখায় আটকে রয়েছেন আরও পাঁচজন।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের পর মানবিক বিবেচনায় বেলাল হোসেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই শিশুসন্তানকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে রৌমারী থানায় হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে আটকে থাকা বাকি পাঁচজন এখনো খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের দ্রুত উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
রৌমারী থানার পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া পরিবারটির পরিচয় যাচাই ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে সীমান্তে আটকে থাকা বাকি পাঁচজনকে নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।
এর আগে গত রোববার ভোরে ভারতের আসাম সীমান্ত দিয়ে ৯ জন বাংলাভাষীকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবির বাধার মুখে তারা দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখায় আটকা পড়েন।
জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, “বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের জন্য উভয় পক্ষের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। মানবিক দিক বিবেচনায় পরিস্থিতি নিষ্পত্তির চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”





