বিবিধ

রৌমারী সীমান্তের শূন্যরেখায় ৭ দিন ধরে মানবেতর জীবন

  আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ২০ জুন ২০২৬ , ১১:১০ পূর্বাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্তের শূন্যরেখায় বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টার শিকার পাঁচ যুবক টানা সাত দিন ধরে আটকে রয়েছেন। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্তে দুইজন এবং ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজন অবস্থান করছেন।
ঝড়-বৃষ্টি ও তীব্র রোদ মাথায় নিয়ে সামান্য প্লাস্টিকের ছাউনির নিচে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। প্রয়োজনীয় খাবার, বিশুদ্ধ পানীয় জল, গোসল ও স্যানিটেশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় তাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
এদিকে, দুই সীমান্তে অবস্থানরত ওই পাঁচজনকে ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
গত রোববার সকালে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাসহ ছয়জন এবং ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে আরও তিনজনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দেয় বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরে তারা দুই দেশের সীমান্তবর্তী শূন্যরেখার ভারতের অংশে আশ্রয় নেয়। পরবর্তীতে গত বুধবার ভোরে গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে এখনও পাঁচ যুবক সেখানে অবস্থান করছেন।
স্থানীয়রা জানান, মানবিক দিক বিবেচনায় দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে শূন্যরেখায় মানবেতর জীবনযাপন করা এসব ব্যক্তির দ্রুত ও স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
জামালপুর-৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, “উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।”