চিকিৎসা সেবাপ্রার্থী এক যুবতীর ধর্ষণ মামলার অভিযোগে আবুল হাসান (৩৪) নামের এক পল্লী চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। সে নওগাঁর পোরশা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ঠনঠনিয়াপাড়ার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) তেঁতুলিয়া গ্রামের গৃহবধূ আবুল হাসানের বিরুদ্ধে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ পোরশা মিনাবাজার ন্যাশনাল ড্রাগ হাউস থেকে আটক করে আসামি আবুলকে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহবধূ কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। গত বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসা সেবা পেতে পোরশা মিনা বাজারে আবুল হাসানের ন্যাশনাল ড্রাগ হাউস নামক ওষুধের দোকানের চেম্বার যায়। এসময় ভুক্তভোগী ওই নারী আবুল হাসানকে তার সমস্যার কথা বলেন। এসময় ওই নারীকে চেম্বারের ভিতরে প্রবেশ করান। পরে নারী রোগিকে প্রেসার মাপা, ডায়াবেটিস, জরায়ুতে টিউমার ও যৌনাঙ্গে ঘা হয়েছে বলে বেডে শুইতে বলেন। এসময় পল্লী চিকিৎক আবুল হাসান বিভিন্ন তাল বাহানায় সরলতার সুযোগে কৌশলে চিকিৎসার বেডে শুয়ে দিয়ে যুবতীর মুখে ওড়নার কাপড় গুজে দেন এবং ধর্ষণ করে। এমনকি, ধর্ষণের ঘটনা কাউকে না জানাতে হুমকি ও ভীতি প্রদর্শন করেন ওই সুন্দরী গৃহবধূকে।
পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিটু রহমান উপরোক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে আটক পল্লী চিকিৎসক আবুলকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ‘সেই সাথে ভুক্তভোগী নারীকে ধর্ষণের আলামত আছে কি-না তা নমুনা সংগ্রহ জন্য (ডিএনএ টেস্ট) নওগাঁ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।’
