কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ঠেকাতে শিক্ষার্থীদের পাশা-পাশি এবার বাজার মনিটরিংয়ে নেমেছে চিলমারী উপজেলা বিএনপি। ঐতিহ্যবাহী জোড়গাছ বাজারে রোববার দিনব্যাপী বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ও দ্রব্যমূল্যের তালিকা পর্যবেক্ষণ করে ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণের সাথে কথা বলেন তারা।
এর আগে সরকার নির্ধারিত খাজনার তালিকা বাজারের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টাঙিয়ে দেয়া হয়।
এ সময় চিলমারী উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন সরকার শিরিন বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনার সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী খাজনা দিবেন। গবাদি পশু বিক্রয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্রেতাগণ খাজনা দিবেন, বিক্রেতাগণ দিবেন না।
অতিরিক্ত খাজনা ও চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করলে উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দকে জানাতে বলেন তিনি।
বাজার মনিটরিংয়ের আরো উপস্থিত ছিলেন, রমনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম আঁশেক আকা, উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জোবাইদুল ইসলাম সুইট, বিএনপি’র কার্যকরী সদস্য বাবুল মন্ডল, রমনা মডেল ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক রুকু মন্ডল প্রমূখ।
এদিকে উপজেলা বিএনপি’র নেতা-কর্মিদের বাজার মনিটরিংয়ের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ক্রেতা সাধারন। চিলমারী ইউনিয়নের আব্দুস সালাম, নয়ারহাট ইউনিয়নের মতিয়ার রহমান, মো: ইউনুছ আলী বলেন, জোড়গাছ বাজারে গরু বা ছাগল বিক্রি করতে আসলে ইজারাদার ইচ্ছে মাফিক খাজনা আদায় করতেন। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কে এ খাজনা দিতে হতো।
অষ্টমীর চর এলাকার নোয়াব আলী বলেন, জোড়গাছ বাজারটি চিলমারীর ঐতিহ্যবাহী বাজার। এ বাজারে দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন শস্য, পাট ও গবাদি পশু সহ অনেক কিছু কিনতে আসেন। একটি সিন্ডিকেটের কারণে বাজারের সুষ্টু পরিবেশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আশাকরি বিএনপি’র এমন উদ্যোগে আবার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরবে।
উত্তরের আলো
চিলমারীতে বাজার মনিটরিংয়ে বিএনপি
