ডেস্ক রিপোর্ট : ৫ জুন ২০২৬ , ৬:২১ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ
স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল আগামী আগস্টে ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে অক্টোবর থেকে। তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে কোনো সংলাপে বসবে না ইসি।
ইসি কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন না হলে আইনগতভাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। এ কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, তফসিল ঘোষণার আগে নির্বাচনী আচরণবিধিতে সংশোধন আনা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ইসির আইন ও বিধি সংশোধন সংস্কার কমিটির দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “অক্টোবরে ভোট হয়ে যাবে। তফসিল ঘোষণা হতে পারে আগস্টে। ইউনিয়ন পরিষদ আর পৌরসভা নির্বাচন যদি না করা হয়, আইনত উপজেলা পরিষদের নির্বাচন করা যাবে না।”
তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকারের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের জন্য পৃথক আচরণবিধি রয়েছে। নতুন সংশোধনীতে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা না নেওয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য এক শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষরের বিধান বাতিল, পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ, ইভিএম ও পোস্টাল ব্যালটের ব্যবহার না রাখার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
এছাড়া প্রার্থীদের হলফনামায় আলাদা অঙ্গীকারনামা না রেখে একটি ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করা হবে, যেখানে আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার থাকবে।
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে কমিশনার মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নির্দলীয়। কোনো প্রার্থী আইনি যোগ্যতা অর্জন করলে এবং অযোগ্য না হলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। আচরণবিধিতে কোনো রাজনৈতিক দলকে বাদ দেওয়ার বিধান রাখা হচ্ছে না।
নির্বাচনের আগে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা কোনো সংলাপে বসব না। আইন ও বিধিতে যে পরিবর্তন আনা হবে, তা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। সবাই সেখানে মতামত দিতে পারবেন।”
ইসি কর্মকর্তাদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আচরণবিধির এসব পরিবর্তন নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল ও বাস্তবসম্মত করতে সহায়ক হবে।











