উত্তরের আলো

চিলমারীর প্রাণকেন্দ্রে জলাবদ্ধতা ভোগান্তিতে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা

চিলমারীর প্রাণকেন্দ্রে জলাবদ্ধতা ভোগান্তিতে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা
Oplus_131072

গেলো রাত থেকে বৃষ্টি ও অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও শিক্ষার্থীরা।সকাল থেকে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা ভিজে ও ময়লাপানি পাড় হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি সময়েও জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল।

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের সবুজপাড়া এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই দেখা দেয় এই জলাবদ্ধতা। অথচ সেখানে রয়েছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা। তবে, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার কারণে ড্রেনের ময়লা পানি নেমে আসে সড়কটিতে। এই সমস্যা শুধু এখনকার নয়, প্রতি বছরই এমন দৃশ্য চোখে পড়ে ওই এলাকায়৷

স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটলেও স্থায়ী সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না। ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করা ও সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সবুজপাড়া সড়কে মন্দিরের সামন হতে থানাহাট বাজার যাওয়ার পথে বেশ কিছু দূর অংশ বৃষ্টির পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এতে করে ভোগান্তিতে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা পড়েছেন। এছাড়াও ওই সড়কে বিভিন্ন স্থানে ভেঙেও গেছে।

এসময় কয়েকজন পথচারী, শিক্ষার্থীরা জানান, স্কুল কলেজ, হাট বাজার,হাসপাতাল, ব্যাংক, সকল পথচারীদের এই পথে যেতে হয়। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে এবং তা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়৷ ফলে চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। আবার অনেকেই পাশে থেকে বলছেন, অনেক সাংবাদিক এসেছে ছবি তুলেছে কাজ হয়নি, হবেও না। এই দূর্ভোগ কমবেও না।

চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক জানান, ইতিপূর্বে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। এরপরও আবারো সরেজমিন দেখে ব্যবস্থা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার: