বিবিধ

অলস স্বভাবের বিশাল ষাঁড় ‘কমিশনার’ এখন ময়মনসিংহে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু

  ডেস্ক রিপোর্ট : ২৬ মে ২০২৬ , ১১:৩২ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

কালো কুচকুচে গায়ের রং, গলায় সোনালী চেইন আর রাজকীয় গাম্ভীর্যে যেন আলাদা এক ব্যক্তিত্ব। তবে স্বভাবে একেবারেই শান্ত ও অলস। খাওয়া ছাড়া দিনের বেশিরভাগ সময়ই শুয়ে-বসে কাটায় বিশাল আকৃতির এই ষাঁড়টি। আর সেই কারণেই তার নাম রাখা হয়েছে ‘কমিশনার’।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের পশুর হাটে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ‘ময়মনসিংহের কমিশনার’ নামের এই ষাঁড়। খামারি মো. জুয়েলের যত্নে বড় হওয়া ব্যতিক্রমী ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) ময়মনসিংহ নগরীর সার্কিট হাউস পশুর হাটে দেখা মেলে আলোচিত এই ষাঁড়টির। খামারি জুয়েল জানান, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা এলাকার তার খামার থেকে তিনটি ষাঁড় হাটে তোলা হয়। এর মধ্যে ‘মটু’ ও ‘চমচম’ নামের দুটি ষাঁড় সাড়ে চার লাখ টাকা করে বিক্রি হলেও ‘কমিশনার’-এর দাম হাঁকা হচ্ছে ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
খামারি মো. জুয়েল বলেন, “ষাঁড়টি খুবই অলস প্রকৃতির। খাওয়া ছাড়া বেশিরভাগ সময় শুয়ে থাকে। তাই মজা করেই নাম রেখেছি কমিশনার।”
তিনি আরও জানান, গত তিন বছর ধরে প্রাকৃতিক উপায়ে গমের ভুসি ও ঘাস খাইয়ে ষাঁড়টি লালনপালন করা হয়েছে। পশুটিকে মোটাতাজা করতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ, ইনজেকশন কিংবা বিশেষ ফিড ব্যবহার করা হয়নি।
এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহ জেলায় স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে ১৫২টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে। সার্কিট হাউসের হাটটি চলবে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওয়াহেদুল আলম জানান, কোরবানির পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ৫৬টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এসব টিম মাঠপর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।