ডেস্ক রিপোর্ট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ৬:৫৩ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ
ভোটাধিকার গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি। কিন্তু জালিয়াতির মাধ্যমে এই অধিকার ক্ষুণ্ন হলে পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাই প্রশ্নের মুখে পড়ে। বাংলাদেশে জাল ভোটকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জাল ভোট প্রতিরোধে তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক মামলা, গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাল ভোট কী?
প্রকৃত ভোটারের স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্ত ইচ্ছা ছাড়া যে কোনোভাবে প্রদত্ত ভোটকে জাল ভোট বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়া, একাধিকবার ভোট দেওয়া, ভয়ভীতি বা চাপ প্রয়োগ করে ভোট আদায় এবং ভোটার উপস্থিত না থাকলেও ব্যালট বা ইভিএমে ভোট পড়া।
কী বলছে আইন
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ৭৩ থেকে ৮৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রে বেআইনি আচরণ ও জাল ভোটের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশের জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
ইসি জানিয়েছে,নির্বাচনকালীন দায়িত্বরত নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা ঘটনাস্থলেই অপরাধ বিবেচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত গণভোট।











