বিবিধ

স্বামীর নির্যাতনের বিচার চেয়ে ভুক্তভোগীর আবেদন

  রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: ৭ অক্টোবর ২০২৫ , ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘদিনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ন্যায়বিচারের দাবিতে সংবাদকর্মীদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন এক গৃহবধূ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী রৌমারী উপজেলার রতনপুর গ্রামের মঞ্জু মিয়ার মেয়ে মনিজা আক্তার মীম সাথে উপজেলার ধনারচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের আবুল হোসেন এর ছেলে আব্দুর রশিদের সাথে বিয়ে হয় ২০২০ সালের ২৩ অক্টেবর তারিখে। বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন অজুহাতে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। বিয়ের ১০ মাস পর তার গর্ভে সন্তান আসে। স্বামী তার নিকট দুই লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুক দিতে অপারগ হলে তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এভাবে নানা সময় নির্যান চায়লা তার স্বামী।

অভিযোগে উল্লেখ্য করা হয়, গত ৩০ জুলাই সকালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করেন। তারা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শারীরিকভাবে আঘাত করে গলাটিপে শ্বাসরোধের চেষ্টা করে। তার স্বামীর বাড়ির লোকজনের এলোপাথারীভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেটে, হামাগুড়ি ও ঘুষি মারিতে থাকিলে আমার তলপেটে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হতে থাকলে ১০ মাসের গর্ভের নিষ্পাপ শিশুটি আঘাট পায়। এমতাবস্থায় স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করলে শারীরিক ভাবে আরো বেশি গুরুত্বর হলে তাকে একটি অটোরিক্সাযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন এবং ভর্তি করান। চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় ভুক্তভোগী মনিজা আক্তার মীমের গর্ভের নিষ্পাপ সস্তানটি গর্ভপাত ঘটে ও গর্ভে সন্তানটি মৃত্যুবরণ করেন। এব্যাপারে বিজ্ঞ আমলী আদালত রৌমারী, কুড়িগ্রাম এ বিচার প্রক্রিয়াধীন।

ভুক্তভোগী নারী মনিজা আক্তার মীম জানান,বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে আমার উপর নির্যাতন চালানো হতো। শেষ পর্যন্ত তারা আমাকে হত্যার চেষ্টা করে। আমি আদালতের মাধ্যমে সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাই।

ভুক্তভোগীর আ: রশিদ এর সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন,কোটে আমার নামে মামলা করছে যা হয় হবে।

রৌমারী থানার দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য এস আই শফিকুল ইসলাম এর সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়াধীন।