সারাদেশ

টিসিবির পণ্য কিনতে বাড়তি খরচ,সুবিধাবঞ্চিত চরের বাসিন্দারা

  চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: ২৮ অক্টোবর ২০২৫ , ৬:৫৬ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

Oplus_131072

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)’র পণ্য নিদিষ্ট জায়গায় বিতরণ না করায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সুবিধাভোগী চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের।এছাড়াও পণ্য কিনতে এসে যাতায়াত বাবদ গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

জানা গেছে, উপজেলায় ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)র পণ্য নিদিষ্ট কিছু স্থানে বিতরণ করার নির্দেশনা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ডিলাররা এটা মানছেন না। অভিযোগ ওঠেছে,  চিলমারী ইউনিয়নের টিসিবির পণ্য দুটি স্থানে বিতরণ করার কথা থাকলেও শুধু কলেজ মোড় এলাকায় বিতরণ করা হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণ করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে,স্থান নির্ধারণে সুবিধাভোগীদের কথা চিন্তা করা হয়নি। এ উপজেলার তিনটি ইউনিয়নই ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন। অথচ এসব পণ্য বিতরণের স্থান গুলো রাখা হয়েছে উপজেলা সদরেই। এতে করে ডিলারা সদরে বসে এসব বিতরণ করছেন অন্য দিকে চরের বাসিন্দারা বাড়তি খরচ করে চর থেকে আসতে হচ্ছে এখানে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একজন কার্ডধারী সুবিধাভোগীর টিসিবি পন্য কিনে কত টাকা সাশ্রয় হয়, তার চেয়ে বেশি ব্যয় হচ্ছে।  খেয়া নৌকাযোগে দিয়ে অটোরিকশা যোগে আসতে হচ্ছে সদরে। এতে যাতায়াত ভাড়া তো আছেই সাথে চা-নাস্তার তো বিল থাকবেই। এছাড়াও সেদিন পুরো দিনটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাহলে প্রশ্ন উঠেছে টিসিবির পণ্য নিতে এসে বাড়তি টাকা যাচ্ছে। তাহলে চরাঞ্চলের মানুষরা কি সুবিধা পাচ্ছেন?

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের পন্য বিতরণ কলেজ মোড় ও ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে হওয়ার কথা থাকলেও তা শুধুমাত্র বিতরণ হচ্ছে থানাহাট ইউনিয়নের কলেজ মোড় থেকে। চিলমারী ইউনিয়নের দায়িত্বে আছে সাওম ট্রেডার্স। এর সত্ত্বাধিকারীর নম্বরে একাধিক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

চিলমারী ইউনিয়নের মাসুদ রানা নামে এক ব্যক্তি জানান, চিলমারী ইউনিয়নের টিসিবির পন্য আগে কড়াই বরিশাল ঘাটে এসে বিতরণ করা হতো, তারপর কিছু দিন জোরগাছ বাজারে আর এখন থানাহাট ইউনিয়নের কলেজে মোড়ে বিতরণ করা হয়। এখানে চরাঞ্চলের মানুষের সুবিধা বঞ্চিত করা হচ্ছে।

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, ইউনিয়নের পণ্য ইউনিয়নে বিতরণ করতে হবে। কিন্তু এখন চরের মানুষ গুলো নৌকা ভাড়া করে থানাহাট গিয়ে নিতে হচ্ছে। এটা অসুবিধা সেই সাথে যাতায়াত খরচও আছে।

চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক জানান, ইউপি চেয়ারম্যান, ডিলার সহ বসে কোন স্থানে বিতরণ করলে সুবিধা হয় সেই স্থানে বিতরণ করা হবে।