স্টাফ রিপোর্টার: ২০ নভেম্বর ২০২৫ , ২:১১ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ
জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রার্থী তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। চলমান আন্দোলনে শরিক ৮ দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার প্রতিনিধিদের যুক্ত করতেই এ সিদ্ধান্ত বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
জানা যায়, এক সপ্তাহ ধরে জামায়াতের নির্বাচনি টিম প্রার্থী তালিকা পুনর্গঠনের কাজ করছে। শরিক দল, মহিলা, অমুসলিম, মুক্তিযোদ্ধা এবং ছাত্র প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এতে একাধিক আলোচিত মুখ যুক্ত হওয়ায় বড় চমক আসতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
বর্তমান বছরের শুরুতে ৩০০ আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করে মাঠে নেমেছিল জামায়াত। তখন থেকে প্রার্থীরা নিয়মিত মাঠে কাজ করে ভোটারদের কাছে পৌঁছে গেছেন। শরিক ৮ দলের জন্য কতটি আসন ছাড়বে—সে বিষয়ে নেতৃত্ব এখনও সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি। তবে ‘যোগ্য ও বিজয়ী-সম্ভাবনা’ বিবেচনায় মনোনয়ন বণ্টনে সবাই একমত বলে সূত্র জানায়।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন,
“৮ দলের কেউ এখন আসন ভাগাভাগির রাজনীতিতে নেই; সবাই বিজয় চায়। যাকে যেখান থেকে জেতানো যাবে, তাকেই মনোনয়ন দেবে ৮ দল।”
||ভিসি–ছাত্রনেতা–আলেম: নতুন মুখের সম্ভাবনা
সূত্র জানায়, অন্তত ৪ জন সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর, সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ৩ জন ভিপি ও ২ জন জিএস, এবং জুলাই আন্দোলনের কয়েকজন সম্মুখসারির নেতাকে মনোনয়ন দিতে পারে জামায়াত।
এছাড়া জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তাদের আনার উদ্যোগও রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় আছে—ঢাকা–৫ আসনে মিজানুর রহমান আজহারি জামায়াতের প্রার্থী হতে পারেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে দল এটি অস্বীকার করেনি। কুষ্টিয়ার একটি আসনে বক্তা আমির হামজার মনোনয়ন ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
||অমুসলিম ও নারী প্রার্থী
জুলাই অভ্যুত্থানের পর মন্দির পাহারা ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখায় অমুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে জামায়াতের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ফলে চূড়ান্ত তালিকায় অমুসলিম ও উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও থাকতে পারেন।
পূর্বঘোষিত তালিকায় কোনো নারী প্রার্থী না থাকলেও এবার উচ্চশিক্ষিত ও পরিচিত কয়েকজন নারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।











